Logo
শিরোনাম :
নাটোরের বড়াইগ্রামে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে কৃষি প্রণোদনা বিতরণের উদ্বোধন বড়াইগ্রামে ৮০টি অসহায় পরিবারকে খাদ্য সহায়তা প্রদান নাটোরের বড়াইগ্রামে আবু সাঈদ স্মৃতি পাঠাগারের শুভ উদ্বোধন লালপুরের গোপালপুর পৌরসভায় দ্বিতীয় ডোজের গণটিকাদান কার্যক্রম শুরু বড়াইগ্রামে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের পদত্যাগ! কালিহাতীতে গণমাধ্যমকর্মী আব্বাস আলীকে হত্যার হুমকি প্রদানকারীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন   বড়াইগ্রামের মাঝগাঁও ইউনিয়নের উন্নয়ন প্রতিবন্ধকতা কাটাতে সুইটকে চেয়ারম্যান চান তরুণেরা লালপুরে নবেসুমির শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে কৃষক-শ্রমিক সমাবেশ টাঙ্গাইলের মধুপুরে আদিবাসী গণমাধ্যমকর্মীকে নির্যাতনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন নাটোরের লালপুরে ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে “শফিকুল ইসলাম শফি’র” গণসংযোগ

সেই আসলামের ঈদের পোষাক কিনে দিলেন ইউএনও ★মা পেলেন শাড়ি★

গুরুদাসপুর(নাটোর)প্রতিনিধি:

গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর সেই আসলামের পাশে দাড়িয়েছেন গুরুদাসপুরের ইউএনও মোঃ তমাল হোসেন। মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন জাতীয় স্থানীয় অনলাই ও প্রিন্ট পত্রিকায়“ এখনও মায়ের শাড়ি কিনতে পারেনি শিশু আসলাম” এই শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়। সেই সংবাদ নজরে আসে গুরুদাসপুরের ইউএনও তমাল হোসেনের। পরে সংবাদ দেখার পর পরই সেই আসলাম ও তার মাকে ডেকে ঈদের পোষাক ও ঈদ সামগ্রী আসলামের হাতে তুলে দেন ইউএনও।

উল্লেখ্য,আসলাম হোসেন(১০)। পেশায় এখন ভ্যান চালক। বাবার মৃত্যুর পর রেখে যাওয়া শেষ সম্বল ভ্যান চালিয়ে জীবন-জিবীকা নির্বাহ করছে আসলাম। নিজের ও মায়ের জন্য ঈদের কেনাকাটা করার লক্ষ্য নিয়ে ছুটছেন বিভিন্ন জায়গায় ভ্যানে যাত্রি নিয়ে। নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার চাপিলা ইউনিয়নের আলিপুর গ্রামে তার বসবাস। ওই এলাকার মৃত-হাসেম হোসেনের ছেলে আসলাম।

 

গত মঙ্গলবার(১১ মে) দুপুরে আলিপুর এলাকায় দেখা মেলে যায় আসলামের সাথে। কথা বলার একপর্যায় আসলাম বললো তার বর্তমান জীবনের গল্প। মাস খানেক আগে তার বাবা অসুস্থ্য জনিত কারনে মৃত্যু বরণ করেন। সংসারে ছিলো বড় বোন ও মা। বাবার মৃত্যুর কয়েকদিন আগেই বড় বোনের বিয়ে হয়ে যায়। এখন মাকে নিয়েই তার সংসার। প্রতিদিন ভ্যান চালিয়ে আয় করে-১০০-১৫০ টাকা। সে টাকা দিয়ে সংসার চলে যায়। তবে আর দুদিন পর ঈদ। ঈদে নিজের জন্য ও মায়ের জন্য কেনাকাটা করার জন্য চালিয়ে যাচ্ছে কঠোর পরিশ্রম। বাজার থেকে যাত্রি নিয়ে বিশ্রাম না নিয়েই আবার ছুটছেন ভাড়ার আশায়। কারন তার মায়ের জন্য শাড়ি কিনতে হবে। আসলাম আরো জানায়, বাবা বেঁচে থাকতে সে স্কুলে যেতো। পড়াশোনা করতো। কিন্তু বাবার মৃত্যুর পর এখন সংসারের সম্পুর্ন বোঝা তার উপর। তাই সংসার চালানোর তাগিতে ভ্যান চালিয়ে জীবন-জিবীকার নির্বাহ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NATORE HOST